September 20, 2026

সরকারী ত্রাণ নিয়ে দূর্নীতি হলে সাথে সাথে জেলা প্রশাসক কে অবহিত করুন।

বাংলাদেশে মোট পুরুষ মেম্বার/কাউন্সিলর- ৪১,১৩৯ জন, মহিলা মেম্বার/কাউন্সিলর- ১৩,৭১৩ জন, ইউপি চেয়ারম্যান- ৪,৫৭১ জন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ ও মহিলা- ৯৮৪ জন, উপজেলা চেয়ারম্যান- ৪৯২ জন, পৌর মেয়র- ৩৩০ জন, সংসদ সদস্য – ৩৫০ জন, সর্বমোট জনপ্রতিনিধির সংখ্যা- ৬১,৫৭৯ জন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মানবতার মা, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে বলেছেন, ‘’ সরকারী ত্রাণ চোরদের কিছুতেই ছাড় দেওয়া হবে না।’’ তাঁর কথার সত্যতা তিনি ইতিমধ্যে প্রমাণও করেছেন, চাল চোরদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে, দল থেকে কেবল তাঁদেরকেই নয়, তাঁদের পক্ষে যারা কথা বলছেন তাদেরকেও বহিষ্কার করছেন।

এই চোররা ধরা পরার পরে দোষী সাব্যস্ত প্রমাণিত হওয়ার পরেই কেবল মিডিয়াতে আসছে।
সবার হাতে স্মার্ট ফোনের জামানায় চুরি করে লুকিয়ে রাখা অনেক কঠিন ব্যাপার।

এই মুহূর্তে গুঁটি কয়েক হাইব্রিড ছ্যাঁচড়া স্বার্থান্বেষী চেয়ারম্যান, মেম্বারের পক্ষে কেউ কথা বলা ঠিক নয়।

তাদের এই অনিয়মের কারণে সারা দেশ থেকে দাবী উঠেছে সেনা বাহিনী ও নৌ বাহিনীর মাধ্যমে সুষ্ঠু ভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হোক। যার পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক জেলায় ত্রান তদারকির জন্য একজন সন্মানিত সচিব মহোদয় কে দায়িত্ব দিয়েছেন। সাথে জেলা, উপজেলা প্রশাসন সহ সবাই সংশ্লিষ্ট থাকবেন। সুতরাং দেশের যেকোন স্হানে সরকারী এান নিয়ে কোন ধরনের চুরি বা অনিয়ম হলে সাথে সাথে জেলা প্রশাসক ও দায়িত্ব প্রাপ্ত সচিব মহোদয়কে অবহিত করুন।

যেই দেশে বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশ সমার্থক, সেই দেশে দুর্যোগের এই সময়ে চাল চোরদের কিছুতেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, তাঁর আদর্শে বিশ্বাসী। এই দেশকে স্বাধীন করার পেছনে তাঁর দৃঢ় মনোবল, নিরলস পরিশ্রম, আত্মত্যাগ আর দিক নির্দেশনার কাহিনী সকলের জানা। অনেকেই স্বাধীনতা পরবর্তী তাঁর সাড়ে তিন বছরের বক্তৃতা শুনেছেন। দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি তাঁর অপার ভালোবাসা আর মমত্ববোধ দেখেছেন। যা কেবল আমাকে নয় যে কোন অনুভূতি সম্পন্ন মানুষকে কাঁদাবে।

মাত্র ৫৫ বছর বয়সে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্টের নির্মম কলঙ্কিত পিতা হত্যার ওই সময়টিতে অগণিত মুজিব সৈনিক মুজিব ভাই, মুজিব ভাই বলে বিলাপ করে কেঁদেছে।
হ্যাঁ বাংলাদেশের ৭ কোটি জনগণের ভালোবাসার এই মানুষটি সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সারা বাংলার মানুষের হৃদয়ের মধ্যমনি।

একজন মমতাময়ী মা’ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখবেন; আর গুটিকয়েক চোরেরা তা লুটপাট করে খেয়ে নিবে, চুরি করে রক্ষা পাবে, এমনটি হতে দেওয়া যায় না।

নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দুর্যোগের এই সময়টিকে যদি যুদ্ধ কালীন সময় বলে ধরা হয়, তবে হতদরিদ্র, অনাহার, অর্ধাহারে থাকা জীর্ণ-শীর্ণ অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত চাল চোরদের অবশ্যই রাজাকারদের সাথে তুলনা করা যায়।

৩০ লক্ষ শহীদ, ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমাদের কষ্টার্জিত রক্তস্নাত স্বাধীনতা। তাঁদের প্রতি সম্মান এবং দায় থেকে আমাদের পথিকৃৎ বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের অনুকরণে বলবো, আসুন আমাদের যার হাতে যা কিছু আছে তা দিয়ে চাল চোরদের প্রতিহত করার চেষ্টা করি।

সবাই ঘরে থাকুন, সচেতন থাকুন, নিরাপদ থাকুন। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *